কেমন হবে ইউটিউবের ই-কমার্স প্লাটফর্ম?

লেখাটি শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

করোনা মহামারিতে অনলাইন কেনাকাটায় ধুম পড়েছে। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলো ২০০.৭ বিলিয়ন ডলার বিক্রির রেকর্ড গড়েছে। ইউটিউবের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আর তাদের তৈরি বিভিন্ন প্রোডাক্ট রিভিউ এই কেনাকাটায় ক্রেতাদের পণ্য কেনাকাটায় দারুণ প্রভাবিত করছে। অনলাইনে কেনাকাটার এ আগুনে একটু যেন ঘি ঢালছে গুগলের মালিকানাধীন ভিডিও আপলোডিং প্লাটফর্ম ইউটিউব। ইউটিউবে খুব শিগগিরি ভিডিও দেখার পাশাপাশি ক্রেতারা পণ্যও কিনতে পারবেন।

কেমন হবে ইউটিউবের ই-কমার্স হাব?

হুট করেই এমন সিদ্ধান্ত? মোটেই না। গুগল দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা আটছে। দর্শককে ভোক্তা বানাতে হবে। একজন দর্শক ভিডিও দেখতে দেখতে সরসরি ওয়েবসাইট থেকেই পণ্য কিনতে পারবেন। কাজটা ঘটা করে শুরুর আগে ইউটিউব বেশ কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মাধ্যমে নতুন ফিচারগুলো পরোখ করে দেখছে। পাশাপাশি শপিফাইয়ের (Shopify) সাথে ইনটিগ্রেশনের কাজও জোর কদমে এগিয়ে চলছে।

কেন এই উদ্যোগ?

ব্লুমবার্গ ইনটিলিজেন্স পরিসংখ্যান ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ আশাজাগানিয়া। ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে অনলাইন কেনাকাটার ব্যাপারটা টাকার হিসেবে হবে 2.8 ট্রিলিয়ন ডলার। বর্তমানে মাসে ইউটিউব ব্যবহার করেন ২ বিলিয়ন মানুষ।

মানুষ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে কোন ওয়েবসাইট। প্রশ্ন যেমন সহজ, উত্তরও তাই। গুগল। আর এই গুগলের পরেই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওয়েবসাইট হচ্ছে ইউটিউব। আর হবেই না কেনো! প্রতিদিন ইউটিউব থেকে এক বিলিয়ন ঘন্টারও বেশি সময় ধরে মানুষ ভিডিও দেখে। আর এতো বড় কনসিউমার বেইজ নিয়ে এই করোনা মহামারিতে বসে থাকা ইউটিউব নতুন দিনের স্বপ্ন দেখছে। ফেসবুক কিংবা ইন্সট্রাগ্রামের শপ সেকশন  কোম্পানির স্টককে বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে গুগল পিছিয়ে থাকবে কেনো? কোভিড মহামারির প্রথম বছরটা কাজে না লাগালেও খুব শীঘ্রই হয়তো ইউটিউবের কনটেন্ট ক্রিয়েটররাও ভিডিও তৈরির পাশাপাশি নিজেদের পণ্যও বিক্রি করতে পারবেন এই সোশ্যাল ভিডিও প্লাটফর্মএ। অ্যামাজানের নতুন প্রতিদ্বন্দী এলো বলে!

তথ্যসূত্র : ব্লুমবার্গ প্রতিবেদন

আরও লেখা পড়ুন

ব্লগ

কেমন হবে ইউটিউবের ই-কমার্স প্লাটফর্ম?

করোনা মহামারিতে অনলাইন কেনাকাটায় ধুম পড়েছে। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলো ২০০.৭ বিলিয়ন ডলার বিক্রির রেকর্ড গড়েছে। ইউটিউবের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, আর তাদের তৈরি বিভিন্ন প্রোডাক্ট রিভিউ

ব্লগ

কিভাবে করবেন মোবাইল সাংবাদিকতা

মূলত সারা পৃথিবীতেই মোবাইল প্রযুক্তি নির্ভর সাংবাদিকতার চর্চা একইসাথে নাগরিক সাংবাদিকতা ও প্রচলিত গণমাধ্যমের সাংবাদিকতার চর্চার জায়গায় বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে

আমার
সম্পর্কে

আমি নাসিমূল আহসান। পড়াশুনা করেছি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। বর্তমানে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) সহকারী প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। পাশাপাশি পাটপণ্যের বহুমখিকরণ, বিপনন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইউজুট’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিশেষায়িত কনটেন্ট মার্কেটিং এজন্সি ‘কনটেন্টো’র প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। 

Scroll to Top